প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য বাহি কালাপাগলা হাই স্কুল টি আলাকার একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছর এই প্রতিষ্ঠান থেকে বহু সংখ্যক ছেলে মেয়ে অত্যান্ত সফলতার সাথে এস এস সি পাশ করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়।
সভাপতির বাণী
...
মোঃ মাসুদ করিম , সভাপতি, কালাপাগলা উচ্চ বিদ্যালয়।

এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরো যুগোপযোগী ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। একটি আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন ওয়েবসাইট চালুকরণ তার একটি অংশ মাত্র। যার মাধ্যমে আমাদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন তথ্য ও ছবি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে এবং প্রতিষ্ঠানের ছত্র-ছাত্রীরা ঘরে বসেই পরীক্ষার রুটিন, সিলেবাস, হাজিরা, ভর্তি ফরম পাবে। অভিভাবকরাও ঘরে বসেই উত্তরোত্তর তাদের সন্তানের পরীক্ষার ফল, আচরণিক পরিবর্তন, সাফল্য, আত্নপ্রকাশ ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারবে।

প্রধান শিক্ষকের বানী
...
মোহাম্মদ হিলালে ফেরদৌস
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, হালুয়াঘাট থানায় অবস্থিত কালাপাগলা উচ্চ বিদ্যালয়, যা স্থাপিত হয় ১৯৮৬ সালে। কালাপাগলা এলাকাটি দরিদ্র এবং শিক্ষর হার একেবারেই কম। অত্র প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে অত্র এলাকায় জ্ঞ্যানের আলো ছড়াচ্ছে। শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার মাধ্যমেই মানুষ তার জীবনকে সুন্দর করে তোলে। একজন শিক্ষিত মানুষ পরিবারের, সমাজের ,দেশের তথা বিশ্বের সম্পদ। বর্তমান যোগ প্রযুক্তির যোগ, প্রতিযোগিতার যোগ। প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে আমাদেরকে আরও পরিকল্পিত ভাবে এগুতে হবে। প্রতিষ্ঠিত করতে হবে নিজেকে। মনে রাখতে হবে শিক্ষায় বিনিয়োগ মানে সর্বোত্তম বিনিযোগ। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নে আমরা কালাপাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শিক্ষার্থীদের যোগউপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য আমরা আমাদের কর্মপদ্ধতি পরিবর্তন করেছি। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতির জন্য অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগনকে তাৎক্ষনিক মোবাইলের মাধ্যমে অবহিতকরা হয়। হোম বিজিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খোঁজ খবর নেওয়া হয়। সাপ্তাহিক ও মাসিক মুল্যায়নের মাধ্যমে তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় উৎসাহিক করার জন্য প্রতি মাসে অধিক সংক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দিপনা পুরষ্কার প্রদান করা হয়। আমরা মনে প্রানে বিশ্বাস করি যে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক এক সাথে কাজ করে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে যেন সে লেখাপড়া করতে উদ্বোদ্ধ হয় । শিক্ষার মাধ্যমেই সে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। তৈরি করবে এক সুন্দর সমাজ। কারন এজকে যে শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে সে সমাজে নেতৃত্ব দেবে। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও শ্রমের সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে তাদের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্টিত করতে পারব ইনশাআল্লাহ।
শিক্ষক এবং কর্মচারী
...